Skip to main content

Posts

কতদিন এভাবেই...

কতদিন আমি আকাশ দেখিনি, দেখিনি ভোরের সূর্যটাকে।  কতদিন আমি শুনিনি গল্প, চাদরমুড়ি শীতের ফাঁকে। কতদিন হয়নি কথা, স্কুলের ওই লাস্ট বেঞ্চে। কতদিন রাত জাগিনি, মেসেজ গুলোও ওঠেনি জেগে। কতদিন জ্বলেনি আলো, ক্লান্ত দেহ আর মনের ভিড়ে। কতকাল হয়নি দেখা, তোমার সাথে, এক নিবিড়ে। কতদিন বৃষ্টি নামেনি। নামেনি তোমার শরীর ভিজে। কতদিন মাটির গন্ধ, পথ হারাইনি তোমার খোঁজে। কতদিন চিলেকোঠা হয়নি দেখা, হয়নি দেখা বিকেলটাকে। কতদিন রাস্তা গুলো তোমায় ছাড়াই একলা হাঁটে। কতদিন হাতছানি গুলো বাড়ায় যে হাত, ধরিনি তাও। কতরাত নীরব রাস্তা, অঝোর কান্না, দাঁড়াইনি তাও। কতদূর শুধু হেটেই গেছি, সুখের খোঁজে। পিছুটান ফেলে। কতদিন আমের আচার একলা পড়ে, ফাঁকা দোলনা নিজেই দোলে। কতদিন সূর্য ডোবেনি, তেপান্তরের মাঠের পারে, কতদিন সন্ধ্যগুলো তোমায় ছাড়াই গল্প করে। কতদিন নদীর জলে তোমার শব্দ শুনিনি আমি, কতদিন করিনি বারণ, তোমার আদর, সে পাগলামি। কতদিন একলা আমি, একলা জেগে একলাই রয়ে যায়, কতযুগ জানিনা যে আর, এভাবেই রোজ দিন কেটে যায়।
Recent posts

অপরিণত

হন্তদন্ত হয়ে অফিস থেকে বেড়িয়েছি! এক প্রকার পালিয়েই এসেছি বলা চলে! আজ একটু তাড়াতাড়ি বাড়ি ফেরার প্ল্যান! অটো টা ধরবো, লঞ্চ টা ধরবো, তারপর হাঁটা দিয়ে বাড়ি! সন্ধ্যেবেলা তেলেভাজা মুড়ি আর গরম চা! পুরো জমে যাবে!! এমন সাত পাঁচ ভেবে যখন অটোয় উঠলাম, আমার অবস্থা তখন শোচনীয়! আশায় জল ঢেলে চালক বললে, এখনো 3 জন এলে তবে ছাড়বে! শনিবারের বাজার। মনে মনে ভগবানের পায়ে পড়ে গেলাম!আর তিনটেও যেন আমার মতোই ফাঁকিবাজ হয়! বসের চোখে ফাঁকি দিয়ে সুরুত করে সরে পড়ে! আমার সন্ধ্যে টা বেঁচে যায় তাহলে! খানিকক্ষণ পরে একটি মেয়ে এসে বসলো আমার পাশে। আমি এমনিতে মার্কামারা! সে রূপে ঐশ্বর্যে হোক বা গন্ধে বর্ণে! তাই প্রেম ট্রেম এর সাথে আমার কস্মিনকালেও কোনো সম্পর্ক ছিল না!! তবু ভালো লাগলো। ওই বলে না, কি যেন, প্রথম দেখাতেই, কি যেন একটা...!  কাটলো আরো মিনিট পনেরো। আর দুজন জুটলো না! অনেক পীড়াপীড়ি করার পর অবশেষে আমাদের দুজন কে নিয়েই অটোচালক রওনা দিলেন লঞ্চ ঘাটের পথে। 20 মিনিটের পথ। হাত গুনছি, গাঁট গুনছি, মোবাইল টিপছি, ইসপিশ করছি, কতক্ষণে যে পৌঁছাবে, কে জানে!! বাইরে ভালোই weather! বিকালবেলায় মেঘের আড়ালে বেশ অন্ধকার ভাব,...

নিছক স্মৃতি!

ছোটবেলায় গ্রামের বাড়িতে আমরা এক রকমের মজাদার খাবারের আস্বাদ পেতাম!! আমরা ডাকতুম পচা আলুর বড়া!! নামে পচা হলেও স্বাদে সে খাসাই ছিল!! এই পচা আলুর, শহরের বাজারের পচা আলুর মতো ততটা বদনাম নয়! শহরে তো পচা মনে যথার্থই পচা!!গ্রামের বাড়িতে, ঘরের মেঝেতে চৌকির নীচে আলুর সাম্রাজ্য থেকে অচিরেই পচতে পারে, এমন সম্ভাবনাময় আলু শনাক্ত করে রান্নাঘরে বন্দি করে নিয়ে আসা হতো! তাকে পিষে আর বিভিন্ন উপকরণ (রান্নার ব্যাপারে আমি কিস্যু জানিনে। আমি খাদক মাত্র) মিলিয়ে অল্প তেলে ভেজে সে এক অসামান্য স্বাদ! নামটাই শুধু যা খারাপ!! আপত্তি নেই, স্বাদে গন্ধে সন্ধেবেলা গুলো অসাধারণ জমতো!! মাঝে মাঝেই হামলা চালাতুম ঘরের মেঝেয়! খুঁজে পেলেই মায়ের কাছে অনড় আবদার!  তো এই সেদিন ইন্টারনেট ঘাঁটতে গিয়ে হঠাৎ চোখে পড়লো Smashed Potato Kebab!! দেখেই হঠাৎ মনে পড়লো, এ সেই আমাদের ছোটবেলার পচা! আধুনিকতার পাল্লায় পড়ে নামখানা ভালোই বাগিয়েছে!! তবে কিনা, আর পচা আলুর সেই সুখ্যাতি বাজারে নেই। এখন পচা মানে সত্যিই পচা। তাই টাটকা আলুতেই আপাতত মানিয়ে নিতে হয়েছে!! নাম বদলাতে পারে, স্বাদও কিছুটা বদলাতে পারে, কিন্তু স্মৃতিগুলো প্রায় বদলায় না! রেশটা ...

অদ্ভুতুড়ে ভুলো রোগ!!

ইদানিং একটা অদ্ভুত সমস্যা দেখা দিয়েছে জীবনে! না সে ব্রেইন ফগগিং সে তো রয়েইছে বয়সের সাথে সাথে! তবে আজকাল একটু বেশীই চটে যাই সব কিছু তে!!  যেমন ধরুন, মুদির দোকান থেকে আলু কিনবো বলে ঠিক ছিল! টা গিন্নির আবদার টা আচমকাই এসে পড়ল আলু নয়, এখন শপিং মল এ আগে প্যান্ট কিনতে যেতে হবে। সে একপ্রকার রাজি তো হলাম। কিন্তু মাথার ভিতর আলু যেনো পাক খেয়ে থাকলো!! সে যতক্ষণ সেই টাস্ক টা কমপ্লিট না হচ্ছে ততক্ষণ অন্য কোনো কিছু তে শান্তি নেই! মন ভার হয়ে থাকবে। কোথাও যেনো একটা হারিয়ে থাকবো। কি করবো আর কি করা উচিত, তার কোনই কুল কিনারা খুঁজে পাবো না! একেবারে ভ্যাবাচ্যাকা মেরে যাবো! গিন্নি ডেকে ডেকে ও সারা না পেয়ে গোঁসা করে বসে থাকবে! সে আবার আর এক উল্টো বিপদ। But নিজেকে আগে সামলাবো তবে তো গিন্নি র রাগ!! এমন কি ধরুন চা দিয়ে যাওয়ার পর চা খাবো বলে প্ল্যান করেছি। আর তখন ই কেউ রুটি দিয়ে বলে এটা আগে খেতে হবে! ব্যাস! রুটি শেষ হয়ে চা খাওয়া শুরু না করা পর্যন্ত মন টা অদ্ভুত ভাবে বিরক্ত হতে শুরু করবে। টেনশন এ থাকবো যতক্ষণ এ চা খাওয়া টা শুরু করতে পারি! তারপর ধরুন মাথায় একটা প্ল্যান করে কাজে বসেছি যে এই কাজ ...

ভোরের বাতাসে

  ভোরের বাতাসে যত স্নিগ্ধতা আছে...