ইদানিং একটা অদ্ভুত সমস্যা দেখা দিয়েছে জীবনে! না সে ব্রেইন ফগগিং সে তো রয়েইছে বয়সের সাথে সাথে! তবে আজকাল একটু বেশীই চটে যাই সব কিছু তে!!
যেমন ধরুন, মুদির দোকান থেকে আলু কিনবো বলে ঠিক ছিল! টা গিন্নির আবদার টা আচমকাই এসে পড়ল আলু নয়, এখন শপিং মল এ আগে প্যান্ট কিনতে যেতে হবে। সে একপ্রকার রাজি তো হলাম। কিন্তু মাথার ভিতর আলু যেনো পাক খেয়ে থাকলো!! সে যতক্ষণ সেই টাস্ক টা কমপ্লিট না হচ্ছে ততক্ষণ অন্য কোনো কিছু তে শান্তি নেই! মন ভার হয়ে থাকবে। কোথাও যেনো একটা হারিয়ে থাকবো। কি করবো আর কি করা উচিত, তার কোনই কুল কিনারা খুঁজে পাবো না! একেবারে ভ্যাবাচ্যাকা মেরে যাবো! গিন্নি ডেকে ডেকে ও সারা না পেয়ে গোঁসা করে বসে থাকবে! সে আবার আর এক উল্টো বিপদ। But নিজেকে আগে সামলাবো তবে তো গিন্নি র রাগ!!
এমন কি ধরুন চা দিয়ে যাওয়ার পর চা খাবো বলে প্ল্যান করেছি। আর তখন ই কেউ রুটি দিয়ে বলে এটা আগে খেতে হবে! ব্যাস! রুটি শেষ হয়ে চা খাওয়া শুরু না করা পর্যন্ত মন টা অদ্ভুত ভাবে বিরক্ত হতে শুরু করবে। টেনশন এ থাকবো যতক্ষণ এ চা খাওয়া টা শুরু করতে পারি! তারপর ধরুন মাথায় একটা প্ল্যান করে কাজে বসেছি যে এই কাজ তার পরে ওই কাজটা করবো! আর ম্যানেজার অন্য আর একটা কাজ ধরিয়ে দিয়ে গেলো! ব্যাস! না পারছি ম্যানেজার এর কাজে ফোকাস করতে আর না পারবো আমার planned কাজ টা করে উঠতে। এখন চিৎকার চেঁচামেচি তো আর করতে পারি না!! তাই চুপ করেই থাকি! ফলে চুপ করে থাকাটাই ক্রমশ অভ্যাসে পরিণত হচ্ছে!
উপায় করেছিলাম লিখে রাখবো। জিনিস পত্র লিখে রাখলে বেশ কিছু টা চাপ কমে। লেখার লিস্ট টা তারপর হাত এর সামনে না পেয়ে বিপত্তি আরো বাড়লো!! এত কিছু লিখেও যে আর মনে রাখতে পারছিনা! সে আর গিন্নি কে বোঝাই কেমনে!! লিখতে লিখতে লিস্ট টাই এত বড় হয়ে উঠছে আর কি বলবো!! এদিকে গিন্নি ভাবে আমার বুঝি মন খারাপ! আমি বুঝি রাগ করেছি!! তাই চুপ মেরে রয়েছি!! এই অদ্ভুত রোগ বুঝি আর বোঝাই কীকরে!! আর এ বোঝা ই বা হালকা করি কীকরে!!!
Comments
Post a Comment